মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রানাধীন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কিশোরগঞ্জ তার যাত্রা শুরু করে ১ জুলাই ২০১০ সালে । ০৫ মে ২০১১ হতে এখান থেকে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (গজচ) ইস্যুকরন শুরু হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ এপ্রিল ২০১৬ সালে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস কিশোরগঞ্জ এর নিজস্ব ভবন উদ্বোধন করেন। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ শহরের কাটাবাড়ীয়াতে মনোরম পরিবেশে নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট চালুর পর ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত অত্র অফিস হতে ২৫১৬৬ টি যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (গজচ) প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া হজ্ব যাত্রী, প্রতিবন্ধী, অসুস্থ এবং বয়স্ক আবেদনকারীদের বিশেষ সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আবেদনকারীদের জন্য তথ্য অনুসন্ধান ও হেল্প ডেস্ক চালু করা এবং বিনামূল্যে ফরম বিতরণ ও ফরম পূরনের সহযোগীতা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযোগ/পরামর্শ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। নোটিশ বোর্ড তৈরী এবং পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্যাদি নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করা হয়েছে। পাসপোর্ট আবেদনকারীর বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটাল ব্যানারের সিটিজেন চার্টার স্থাপন করা হয়েছে।
 
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কিশোরগঞ্জ এর চ্যালেঞ্জ সমূহঃ
১) দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট প্রত্যাশী জনগনকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করা।
২) পাসপোর্টের সেবার পরিধি তথা জনবল, ওয়ার্ক স্টেশন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে 
৩) দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করা।
৪) পাসপোর্ট অফিসকে দালাল, প্রতারক ও হয়রানিমুক্ত রাখার মাধ্যমে অত্রঅফিসের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করা।
৫) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন আবেদনে উৎসাহিত করে অনলাইন আবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
৬) অনলাইন ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে রাজস্ব জমাদানে জনসাধারণকে উৎসাহিত করা।
৭) সময়মতো পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া।
৮) একই ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়ে একাধিক পাসপোর্ট করা প্রবণতা রোধ করা। 
৯) পাসপোর্ট ভুল/অন্যের তথ্য ব্যবহার করার প্রবণতা রোধ করা।
১০) ভূয়া সত্যায়নে পাসপোর্ট আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রবণতা রোধ করা। 
১১) ভূল/ভ’য়া জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মসন্দ আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রবণতা রোধ করা।
 
ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ
              কোন ধরনরে হয়রানি ছাড়া নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রাপ্তিতে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কোন ব্যক্তি বা কোন পক্ষ বা কোন সুবিধাভোগী এজেন্সি যাতে করে পাসপোর্ট সেবা গ্রহীতাকে হয়রানি না করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিদ্যমান দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, অনলাইন আবেদনে সঠিক সংখ্যক জনগণকে সম্পৃক্ত করণ, উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবাকে  আনন্দদায়ক ও সহজ করণ ।
২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহঃ
 ‘পাসপোর্ট নাগরিক অধিকার, নিঃস্বার্থ সেবাই অঙ্গীকার’ এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ- ২০১৮ পালন।
 প্রতিবন্ধী, অসুস্থ এবং বয়স্ক আবেদনকারীদের এমআরপি এনরোলমেন্ট- বিশেষ ব্যবস্থায় সম্পন্ন করা।
  অফিসিয়াল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সর্ব্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
  ডিজিটাল ব্যানারে পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে “নিজের পাসপোর্ট নিজে করা” কে উৎসাহিত করা।
 নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট ইস্যুর সংখ্যা ২৩০০০ এ উন্নীতকরণ। 
 সঠিক তথ্যের আবেদনপত্র গ্রহণের মাধ্যমে নির্ভুল এম.আর.পি ইস্যু করা।
 তথ্যকেন্দ্র/হেল্পডেস্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করণ।
 যথাসময়ে এম.আর.পি ইস্যু করে আবেদনকারীদের টিসিভি নিম্ন পর্যায়ে রাখা।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter